ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাটোরে এনসিপির নির্বাচনী সমাবেশ মঞ্চে হাতাহাতি এপ্রিলে তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের আভাস রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে ভারত কিছু জানায়নি ট্রাম্পের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলল পুতিনের দেশ সাফাইকর্মীকে বাড়িতে ডেকে সোনার হার উপহার দিলেন কেন রজনীকান্ত? মানিকগঞ্জে পাকিস্তানি আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও ককটেল উদ্ধার জামায়াত কর্মীর সিল জালিয়াতি, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শামিল: এ্যানি নোয়াখালীতে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের চিকিৎসার নামে নিঃসন্তান গৃহবধূকে কবিরাজের ধর্ষণ জামায়াত আমিরের ‘মন্তব্যের’ প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে ঝাড়ু মিছিল গোপনে ভোটের সিল বানিয়ে ব্যবসায়ী ধরা সীমান্তে বিপুল বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার করল বিজিবি ব্যবহৃত মোবাইল হস্তান্তর বা বিক্রির বিষয়ে নতুন নির্দেশনা বিটিআরসির ভোট নিয়ে যারা দ্বিধায় আছে, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত: সেনাপ্রধান ভূমিকম্পে আবারও কাঁপল দেশ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে বই তুলে দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ক্ষমা না চাইলে ক্যান্টনমেন্টে জামায়াত প্রার্থীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের তারেক-জুবাইদার আজ বিবাহবার্ষিকী  ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে: দ্য ইকোনমিস্ট

রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করার জন্য গ্লুকোমিটার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম কী

  • আপলোড সময় : ০১-০২-২০২৬ ০৪:১০:৩১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০২-২০২৬ ০৪:১০:৩১ অপরাহ্ন
রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করার জন্য গ্লুকোমিটার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম কী ফাইল ফটো
চিকিৎসকের চেম্বারে বা প্যাথোলজিক্যাল ল্যাবে গিয়ে নিয়মিত রক্তে শর্করার পরীক্ষা বা প্রস্রাবের পরীক্ষা করানো সময় ও সামর্থ্য সকলের থাকে না। তার উপরে বিপদেআপদে তৎক্ষণাৎ পরীক্ষা এবং ফলাফল মেলাও সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ডায়াবিটিসের রোগীদের বাড়িতে একটি করে গ্লুকোমিটার কিনে রাখা বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। হাতের এক ফোঁটারও কম রক্ত তৎক্ষণাৎ ফলাফল জানিয়ে দেবে। রক্তে শর্করার মাত্রা কখন কতখানি, তা জানার সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায়। তবে এখন বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে গ্লুকোমিটারের পাশাপাশি আরও এক যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়ে গিয়েছে, যার নাম কনটিনিউয়াস গ্লুকোজ মনিটর বা সিজিএম। তবে খরচের কথা মাথায় রেখে অনেকেই নতুন এই যন্ত্র ব্যবহার করতে পারেন না।

কিন্তু যাঁরা গ্লুকোমিটার ব্যবহার করেন বা নতুন করে ব্যবহার করবেন, তাঁদের কিছু নিয়মকানুন জেনে নেওয়া দরকার। আর তাই মধুমেহ রোগের চিকিৎসক আশিস মিত্র সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন। তাঁর কথায়, ‘‘গ্লুকোমিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিক রোগীদের বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার। প্রথমত, যাঁরা ইনসুলিন নিচ্ছেন এবং যাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত হেরফের করে, তাঁদের জন্য গ্লুকোমিটার বেশ কাজের। এ বার দেখতে হবে, কী ভাবে পরীক্ষা করতে হবে। যেমন, যাঁরা ইনসুলিন নিচ্ছেন, তাঁদের গ্লুকোমিটার ব্যবহারের প্রথম ১৫ দিন বিশেষ পন্থা মেনে চলতে হয়।’’

গ্লুকোমিটারে পরীক্ষা করার বিশেষ পদ্ধতি কী?
চিকিৎসক জানাচ্ছেন, প্রথম ১৫ দিন সারা দিনে সাত বার পরীক্ষা করতে হবে। একে বলা হয়, ‘সেল্‌ফ মনিটরিং অফ ব্লাড গ্লুকোজ’ বা এসএমবিজি। সাত বার কখন কখন পরীক্ষা করাতে হবে?

· ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রথম বার পরীক্ষা করতে হবে।

· প্রাতরাশের ঠিক আগের মুহূর্তে পরীক্ষা করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে এর মাঝে চা-বিস্কুট খান। সেই পার্থক্যটি দেখার জন্য এই জলখাবারের আগে পরীক্ষা করাতে হয়।

· প্রাতরাশের দু’ঘণ্টা পর পরীক্ষা করতে হবে।

· মধ্যাহ্নভোজের আগে গ্লুকোমিটার ব্যবহার করতে হবে।

· আবার মধ্যাহ্নভোজের দু’ঘণ্টা পর পরীক্ষা করতে হবে।

· নৈশভোজের আগে পরীক্ষা করতে হবে।

· শেষে নৈশভোজের দু’ঘণ্টা পর পরীক্ষা করতে হবে। যদিও অনেকেই রাতের খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন বলে সেই সময়টি হেরফের করতে পারে।

এর পাশাপাশি, ইনসুলিন নেওয়া শুরু করার প্রথম দু’সপ্তাহ আরও একটি নিয়ম পালন করতে হয়। রাত ২-৩টে নাগাদ ঘুম থেকে উঠে এক বার গ্লুকোমিটারে পরীক্ষা করতে হবে শর্করা। কারণ সেই সময়ে এক বার রক্তে শর্করার মাত্রা নীচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

প্রথম দু’সপ্তাহ পেরিয়ে গেলে রোজ সাত বার পরীক্ষা করানোর দরকার পড়ে না। কিন্তু সে ক্ষেত্রে অন্য ভাবে পরীক্ষা করতে হবে। চিকিৎসকের কথায়, ‘‘এর পরের সাত দিনে অন্তত যেন প্রতি বারের রিডিং থাকেই। ধরা যাক, সোমবার ঘুম থেকে উঠে, মঙ্গলবার জলখাবারের আগে, বুধবার প্রাতরাশের পরে, এই ভাবে পরীক্ষা করাতেই হবে। তার বেশি বারও করা যেতে পারে। কিন্তু এক বার করতেই হবে। এই মনিটারিং দেখে চিকিৎসক বিচার করবেন পরবর্তী পদক্ষেপ।’’ ইনসুলিন নেওয়ার দরকার না পড়লেও যাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা খুব হেরফের করে, তাঁদেরও সারা দিন ধরে গ্লুকোজ নজরে রাখা দরকার।

কোন কোন ভুল করেন রোগীরা?
‘সেল্‌ফ মনিটরিং অফ ব্লাড গ্লুকোজ’ বা এসএমবিজি-র উদ্দেশ্য না বুঝে অনেক রোগী সকালে খালি পেটে এবং দুপুরে খাওয়ার আগে বা পরে, অথবা রাতে খাওয়ার আগে পরীক্ষা করেন। কিন্তু আসল উদ্দেশ্যই সফল হচ্ছে না। চিকিৎসক বলছেন, ‘‘সারা দিন ধরে গ্লুকোজ নজরে রাখার জন্য ২৪ ঘণ্টার রিডিং প্রয়োজন। এমনিতেই ঘুমের কারণে সেটা ১৬-১৮ ঘণ্টার কাছাকাছি হয়। কিন্তু তার থেকেও কম করলে রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক মতো বোঝাই যাবে না।’’ এর পাশাপাশি চিকিৎসক জানাচ্ছেন, বার বার হাতের আঙুল ফুটিয়ে রক্ত বার করতে হলে ব্যথা হতে পারে। তাই তাঁর পরামর্শ, আঙুলের ডগার মাঝখানে সূচ না ফুটিয়ে একটু পাশে ফোটালে কম যন্ত্রণা হবে। আর যদি ব্যথায় ভয় হয়, তা হলে আধুনিক সিজিএম যন্ত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। যা বাহুতে প্যাচ হিসেবে আটকে দেওয়া হয়, আর রিডারে ঘণ্টায় ঘণ্টায় সুগারের মাত্রা দেখা যাবে। তবে ১৫ দিনের জন্য সেখানে প্রায় ৩০০০-৪০০০ টাকা খরচ হয়ে যেতে পারে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান